- Advertisement -

- Advertisement -

ভাইরাসে মাস্ক ব্যবহার কতোটা নিরাপদ-শীর্ষবার্তা

0 162

★ শরিফ আহমাদ

- Advertisement -

বিশ্বের বহু দেশ ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে নিত্য নতুন কৌশল এবং সতর্কতায় লিপ্ত ৷ তার মাঝে একটি জনপ্রিয় ব্যবস্থা হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার। বিশেষ করে চীনের লোকেরা বায়ুর দূষণের হাত থেকে বাঁচতে হরহামেশা নাক আর মুখ ঢাকা মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। এরপর বিভিন্ন দেশের মানুষ
পথেঘাটে, হাট-বাজারে, অফিসে অনেকেই মাস্ক পরছেন ৷ অবশ্য বায়ুবাহিত ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই মাস্ক কতটা
কার্যকর সে ব্যাপারে যথেষ্টই সংশয়ে আছেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা ৷ তবে হাত থেকে মুখে সংক্রমণ ঠেকাতে এই মাস্ক ব্যবহার
করে সুফল পাওয়ার কিছু নজির আছে।
আঠারো শতকে প্রথম সার্জিক্যাল মাস্কের চল শুরু হয়। কিন্তু ১৯১৯ সালে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারির আগ পর্যন্ত এই মাস্ক আমজনতার
হাতে এসে পৌঁছায়নি। কিন্তু এখান হাতের নাগালেই ৷
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফেস মাস্ক পরলেই
নিজেকে নিরাপদ ভাবার সুযোগ নেই। পাতলা সার্জিক্যাল মাস্ক সাধারণ দূষণ, ধুলাবালু আটকাতে বেশি ব্যবহৃত হলেও তা পুরোপুরি নিরাপত্তা দেয় না। তবে ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তির মাস্ক পরা জরুরি।
২০১৬ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি সমীক্ষায় বলা হয়, মানুষ
প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৩ বার হাত দিয়ে মুখ স্পর্শ করে। এ ক্ষেত্রে মাস্ক পরা থাকলে নাকেমুখে
হাতের স্পর্শ পড়ে কম, আর একেবারে মুখের
সামনে কেউ হাঁচি-কাশি দিলে তার থেকে মাস্ক কিছুটা নিরাপত্তা দেয়। তবে সাধারণ মাস্কের ফাঁকফোকর গলে ভাইরাস বা বাতাসবাহিত ড্রপলেট সহজেই প্রবেশ
করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাস্ক মুখে
ঠিকমতো ফিটও হয় না। তাছাড়া পুরাতন মাস্কও নতুন করে বাজারে ছাড়া হয় ৷ তাই যাচাই-বাছাই করে কিনে আক্রান্ত রোগী ও তার পরিচর্যাকারী, চিকিৎসক, নার্স, ঝুঁকিপূর্ণ
ব্যক্তিদের এটা পরা উচিত ৷ শুধু মাস্ক পরলেই হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বক্তব্য অনুযায়ী ,
বারবার হাত ধোয়া, নাকমুখে হাতের স্পর্শ না লাগানো আর যেকোনো ফ্লু আক্রান্ত রোগী থেকে
অন্তত ৬ ফুট দূরে অবস্থান করা—এই তিনটি নিয়ম পালন
করা জরুরি।