চিনে নতুন মহামারির আশঙ্কা|| শীর্ষবার্তা ডটকম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বিপদ যেনো পিছু ছাড়ছে না ৷ একের পর ভয়ানক ভাইরাসের দেখা মিলছে পৃথিবীতে ৷ প্রথমে করোনা ৷ তারপর হান্টাভাইরাস ৷ তবুও থেমে নেই ৷ তারও পরে সোয়াইন ফ্লু আর এ বার বাবোনিক প্লেগ। কী ভয়ানক কথা ৷ একের পর এক ভয়াবহ ভাইরাস আর ব্যাক্টিরিয়ার সংক্রমণে আতঙ্কিত চীনের সাধারণ মানুষ। কোনোটিই নির্মূল হয়নি পৃথিবী থেকে ৷

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যেই বাবোনিক প্লেগে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। ফলে লকডাউন করা হয়েছে গোটা গ্রাম।

ঘরের প্রাণি ইঁদুর ৷ কিন্তু ইঁদুরই নাকি রোগ ছড়াচ্ছে ৷ নতুন করে চীনে ছড়াতে শুরু করেছে ইঁদুর বাহিত ব্যাক্টিরিয়া ঘটিত রোগ প্লেগ। চিনের উত্তরাঞ্চলের ইন্নার মঙ্গোলিয়া এলাকায় সুজি জিনকান গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বাবোনিক প্লেগে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। মৃতের পরিবারের ৯ সদস্যকে কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। গত কয়েকদিনে ওই পরিবারের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদেরও খোঁজ চলছে।

এর আগে জুলাই মাসের শুরুতেই পশ্চিম মঙ্গোলিয়ার খোভদ প্রদেশের বায়ান্নুরে সম্প্রতি দুই সম্ভাব্য বাবোনিক প্লেগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছিল। ওই দুই আক্রান্ত একই পরিবারের সদস্য। এই দুই আক্রান্তের সংস্পর্শে আশা আরও অন্তত ১৪৬ জনকে চিহ্নিত করে আইসোলেট করা হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, আক্রান্তরা মারমেটের মাংস খেয়েছিলেন। আজেবাজে হিংস্র ও ঘৃণ্য পশু থেকেই রোগ ব্যাধী ছড়াচ্ছে দৃশ্যমান ৷ বাবোনিক প্লেগের সংক্রমণ রুখতে মঙ্গোলিয়া প্রদেশের বেশ কিছু অঞ্চলে লেভেল-থ্রি সতর্কতা জারি করেছে সেখানকার প্রশাসন। ওই এলাকাগুলিতে সব রকম পশু শিকারের উপর আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বাবোনিক প্লেগ একটি ব্যাক্টিরিয়া ঘটিত ভয়াবহ রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরও মৃত্যু হতে পারে। বাবোনিক প্লেগে শরীরে সংক্রমণ যত ছড়ায়, আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক তত কালো হয়ে যেতে থাকে। তাই বাবোনিক প্লেগে মৃত্যুকে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বলা হয়।

সতর্কতা জরুরি ৷ জরুরি মূলে ফিরে আসা ৷ তাওবা ইস্তেগফার করা ৷ হারাম প্রাণির মাংস ভক্ষণে বিরত থাকা ৷

Leave a Comment